পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে
জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী,
ইলিশের অভয়াশ্রম এলাকায় মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ।
এই সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের জীবিকা সহায়তায়
জনপ্রতি ৮০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা।
কালাইয়া ইউনিয়নে মোট ৯২১ জন জেলের জন্য
৭৩ দশমিক ৬৮ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
যা ৩০ কেজি ওজনের বস্তায় মোট ২ হাজার ৪৫৬ বস্তা হওয়ার কথা।
কিন্তু সরেজমিনে বস্তা গণনা করে দেখা যায়—
মোট পাওয়া গেছে মাত্র ২ হাজার ২৬৪ বস্তা!
অর্থাৎ কম রয়েছে ১৯২ বস্তা চাল।
যার পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ৭৬ মেট্রিকটন
এবং আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা।
বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জেলেদের ভিড় জমে।
সবার সামনেই বস্তা গণনা করা হলে
এই বিশাল ঘাটতির বিষয়টি সামনে আসে।
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন—
“ভুল হয়ে গেছে, ভবিষ্যতে আর হবে না।”
তিনি বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্যও অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন—
“ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে খাদ্য গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও
তাকে পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তোলে—
সরকারি সহায়তা কি সত্যিই পৌঁছাচ্ছে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে?
সঠিক তদন্ত ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই
এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে।
এইচ এম বাবলু/পটুয়াখালী প্রতিনিধি
