আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের নদ-নদীতে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। নির্বাচনের মাঠকে কণ্টকমুক্ত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিশেষ টহল শুরু করেছে এই বাহিনীর সদস্যরা।১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে ঘিরে উৎসবের আমেজ: নদ-নদীতে কোস্টগার্ডের রণপ্রস্তুতি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের নদ-নদীতে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। নির্বাচনের মাঠকে কণ্টকমুক্ত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিশেষ টহল শুরু করেছে এই বাহিনীর সদস্যরা।

দুর্গম উপকূলে বিশেষ নজরদারি

মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে যেন কোনো অপশক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, গত ১৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই ২৮ দিন উপকূলবাসীর নিরাপত্তা ও ভোটের পরিবেশ রক্ষা করতে মাঠে থাকবে কোস্টগার্ড।

ড্রোনের চোখে নির্বাচনী নিরাপত্তা

নির্বাচনী মাঠের শান্তি বজায় রাখতে শুধু নৌ-টহল নয়, এবার যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি। খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এসব এলাকায় কোনো প্রকার সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা দমনে ড্রোন নজরদারির পাশাপাশি সার্বক্ষণিক টহল টিম মোতায়েন রাখা হয়েছে।

আস্থার প্রতীকে কোস্টগার্ড

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় মানুষের জানমালের সুরক্ষায় কোস্টগার্ড কাজ করে আসছে। এবারের নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। জনগণের জানমাল রক্ষা ও সব ধর্মের মানুষের অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে তারা।

কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে তারা প্রস্তুত। সুন্দরবনের কোলঘেঁষা সাধারণ ভোটাররা যেন উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেটিই এখন এই বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য।

রবি ডাকুয়া/বাগেরহাট প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *