মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদীতে পরিচালিত এক গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য অভিযান। মোংলা উপজেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) একটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে বিশেষ সহযোগিতা দেয় মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটির বাংলাদেশ নৌবাহিনী। অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত বেহুন্দী জাল উদ্ধার করা হয়, যা পরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস, মৎস্য রক্ষায় মোংলার সাহসী অভিযান

মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদীতে পরিচালিত এক গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য অভিযান

মোংলা উপজেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি)
একটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে বিশেষ সহযোগিতা দেয় মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটির বাংলাদেশ নৌবাহিনী

অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত বেহুন্দী জাল উদ্ধার করা হয়, যা পরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

মোংলা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান,
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু জেলে অবৈধ জাল ব্যবহার করে পশুর নদীতে মাছ শিকার করছিলেন।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জাটকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা আটকে পড়ছে, যা দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।

অভিযানে দুইটি বড় নিষিদ্ধ বেহুন্দী জাল উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১.৫ লক্ষ টাকা
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত জালগুলো মোবাইল কোর্টের তত্ত্বাবধানে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন মোংলা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নওসীনা আরিফ

তিনি আরও জানান,
দেশের মৎস্য সম্পদ, বিশেষ করে ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ রক্ষায়,
১ নভেম্বর থেকে ১০ জুন পর্যন্ত, অর্থাৎ ৮ মাসব্যাপী জাটকা সংরক্ষণ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

এটি শুধুমাত্র মৎস্য সম্পদ রক্ষা নয়,
বরং দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সুপ্রিয় দর্শক,
মোংলার এই উদ্যোগ যেন অন্যান্য জেলায়ও অনুসরণযোগ্য হয়।
নিরাপদ ও সঠিক জেলাশিকার নিশ্চিত করতে
মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রবি ডাকুয়া/বাগেরহাট প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *