বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য উঃ কে এস মং-এর এক বিশাল গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে তাইংখালী বাজার মাঠে আয়োজিত এই সভায় স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জনজোয়ার।বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য উঃ কে এস মং-এর এক বিশাল গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে তাইংখালী বাজার মাঠে আয়োজিত এই সভায় স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জনজোয়ার।

বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য উঃ কে এস মং-এর এক বিশাল গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা।
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে তাইংখালী বাজার মাঠে আয়োজিত এই সভায় স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জনজোয়ার।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মংতো কারবারি, সঞ্চালনা করেন শৈউ মারমা।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি ডা. মং উষাথোয়াই মারমা,
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উঃ কে এস মং,
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসামং মারমা,
রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা,
সাংবাদিক বাবুল খান (প্রকাশক, পাহাড় কণ্ঠ ডটকম),
নোয়াপতং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শম্ভু কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
জেলা জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক উবাচিং মারমা,
এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


🎤 বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসে —

দলমত নির্বিশেষে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিকার, উন্নয়ন ও অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে
আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং-কে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার আহ্বান।

বক্তারা বলেন—
“কে এস মং শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি পাহাড়ের মানুষের একজন প্রকৃত বন্ধু।
তার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও মানবিক সহায়তা আজ পাহাড়ের প্রতিটি প্রান্তে আলোচনায়।”


🗣️ মূল বক্তা কে এস মং বলেন —

“পার্বত্য চট্টগ্রাম কোনো একক জাতিগোষ্ঠীর নয়,
এখানে বাঙালি, চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, বম, লুসাইসহ বহু জাতিগোষ্ঠীর সহাবস্থান।
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হলে কেবল এক জনগোষ্ঠী নয়, বরং পাহাড়ের সকল মানুষেরই উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত হবে।

তিনি আরও বলেন —
“দীর্ঘ রাজনৈতিক দূরত্বের পর আমি এখন আবার মানুষের মাঝে ফিরেছি।
পাহাড়ের মানুষের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে চাই,
তাদের উন্নয়ন ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কাজ করতে চাই।”


🌄 পটভূমি তথ্য:

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই কে এস মং সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন
বান্দরবানের গণমানুষের স্বার্থরক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায়।
তিনি ইতোমধ্যে রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ
দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গণসংযোগ ও ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করেছেন,
যেখানে শত শত মানুষ বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন,
আগামী দিনে আরও পাঁচটি উপজেলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।


🎯 উপসংহার:

রাজবিলার গণসংযোগে কে এস মং-এর উপস্থিতি যেন পাহাড়ের মানুষকে নতুন করে একতার বার্তা দিয়েছে।
জনতার ঢল ও উচ্ছ্বাস প্রমাণ করেছে—
মানুষ এখন পরিবর্তন চায়, উন্নয়ন চায়, চায় স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি।

এলেক্স বড়ুয়া/বান্দরবান প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *