মৌসুমি বায়ু ও ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে বান্দরবানে বেড়ে গেছে জ্বর, ডায়রিয়া, সর্দি–কাশি এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রকোপ। ফলে প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে চোখে পড়ার মতোভাবে। এই অতিরিক্ত রোগীর চাপ এখন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বান্দরবান সদর হাসপাতাল।মৌসুমি বায়ু ও ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে বান্দরবানে বেড়ে গেছে জ্বর, ডায়রিয়া, সর্দি–কাশি এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রকোপ। ফলে প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে চোখে পড়ার মতোভাবে। এই অতিরিক্ত রোগীর চাপ এখন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বান্দরবান সদর হাসপাতাল।

মৌসুমি বায়ু ও ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে বান্দরবানে বেড়ে গেছে জ্বর, ডায়রিয়া, সর্দি–কাশি এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রকোপ।
ফলে প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে চোখে পড়ার মতোভাবে। এই অতিরিক্ত রোগীর চাপ এখন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বান্দরবান সদর হাসপাতাল।

তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরা পড়ছেন ভয়াবহ অব্যবস্থাপনার মুখে।
হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে ঠাঁই নেই, করিডর ও বারান্দা ভর্তি রোগীতে। যারা ভর্তি হতে পারছেন না, তাদের অনেকেই মেঝেতে কিংবা বাইরে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গরম, দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগীদের দুর্ভোগ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এমন পরিস্থিতিতেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
একাধিক রোগীর স্বজন জানান—
রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে গেলেও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স বা ওষুধ–সরঞ্জামের কোনো বাড়তি ব্যবস্থা নেই।
ফলে চিকিৎসা সেবার মানও অনেকটা ব্যাহত হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহেই রোগীর সংখ্যা আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।
দিনে-রাতে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসছেন শত শত মানুষ।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান—

“রোগীর চাপ অতিরিক্ত বেড়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সবাইকে সেবা দিতে, কিন্তু জনবল ও শয্যার সীমাবদ্ধতা এখন বড় বাধা।”

এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সচেতন মহল স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
তাদের মতে, জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের অব্যবস্থা দূর করা এবং মৌসুমি রোগ প্রতিরোধে বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনা এখন সময়ের দাবি।

👉 মানবিক সেবা ও সরকারি উদ্যোগের সমন্বয়েই কেবল বান্দরবানের এই স্বাস্থ্য সংকট নিরসন সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এলেক্স বড়ুয়া/বান্দরবান প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *