টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের সিংদাইর গ্রামে ১৯ বছর বয়সী রুমা নামের এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
রুমা গত বছর রাসেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে তার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করেছিলেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে রুমার বাবার দাবি, বিয়ের পর থেকেই রাসেলের পরিবার রুমাকে মেনে নিতে পারেনি এবং নিয়মিতভাবে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচার করেছে।
আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে রাসেলের পরিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রুমা গলায় ওড়না পেচিয়ে টয়লেটের ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু রুমার বাবা আয়নাল হক অভিযোগ করেছেন, এটি কোনো আত্মহত্যা নয়। তিনি দাবি করেন, রুমাকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীর্ঘদিন ধরে যৌতুক এবং স্বর্ণের জন্য নির্যাতন করেছে। গতকাল রুমা তার বাবা-মাকে মুঠোফোনে স্বামীর বাড়ির অত্যাচারের কথা জানিয়েছিলেন।
রুমার পিতা বলেন, “আমাদের মেয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা চলছে।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায্য বিচার দাবি করেছেন।
নাগরপুর থানা পুলিশ রুমার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। বর্তমানে মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে।
শহিদুল ইসলাম/নাগরপুর টাঙ্গাইল
