ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনরায় গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।জামায়াত প্রার্থীর জয় কি আটকে যাচ্ছে? বিএনপি প্রার্থীর আবেদনে নতুন মোড় বাগেরহাটে!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনরায় গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ ও আদেশ

উক্ত আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের দায়ের করা এক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এই নির্দেশনা দেন। আবেদনকারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক, তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম জানান, নির্বাচনী ফলাফলে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার আবেদন জানানো হয়েছিল, যা আদালত মঞ্জুর করেছেন।

নির্বাচনের ফলাফল ও ব্যবধান

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই দেখা যায়। নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী:

  • বিজয়ী প্রার্থী: মাওলানা মশিউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী) — প্রাপ্ত ভোট: ১,১৭,৯৬৬
  • নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: কপিল কৃষ্ণ (বিএনপি, ধানের শীষ) — প্রাপ্ত ভোট: ১,১৪,৫৯০

বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩,৩৭৬টি। তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটিতে মোট ১৪৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

ভোটের ব্যবধান কম হওয়ায় এবং গণনায় ত্রুটির অভিযোগ তুলে শুরু থেকেই বিএনপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে আসনটির চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে নতুন করে জনমনে কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পুনর্গণনার পর এই তিন উপজেলার নির্বাচনী চিত্রে কোনো পরিবর্তন আসে কি না।

‎রবি ডাকুয়া/বাগেরহাট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *