সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রাজনীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো। প্রায় ৪৮ বছর আগে যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাবা, আজ সেই একই দপ্তরে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ছেলে। সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম. এ. মুহিত তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।আবেগঘন মুহূর্ত! মন্ত্রণালয়ের নামফলকে বাবার নাম দেখে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী মুহিত।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রাজনীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো। প্রায় ৪৮ বছর আগে যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাবা, আজ সেই একই দপ্তরে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ছেলে। সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম. এ. মুহিত তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

স্মৃতি ও আবেগের মেলবন্ধন

মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন ড. মুহিত। কার্যালয়ের নামফলকে নিজের বাবা ড. এম. এ. মতিনের নাম দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। জিয়াউর রহমানের শাসন আমলে ড. এম. এ. মতিন একই মন্ত্রণালয়ের (স্বাস্থ্য) প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বাবার নামফলকটি হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এ সময় ড. মুহিত বলেন:

“এই নামটি কেবল আমার বাবার পরিচয় নয়, এটি আমার জন্য এক বিশাল দায়িত্বের অঙ্গীকার। বাবার দেখানো পথেই আমি মানুষের সেবা করতে চাই।”

এক নজরে ড. এম. এ. মুহিতের রাজনৈতিক পথচলা

  • প্রথম বিজয়: জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহিত সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
  • বহুবিধ দায়িত্ব: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন।
  • পারিবারিক ঐতিহ্য: তার মামা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বর্তমানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী। অর্থাৎ, নতুন মন্ত্রিসভায় সিরাজগঞ্জের মামা ও ভাগনে দুজনেই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন।

জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা এই ঘটনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। অনেকের মতে, পূর্বসূরীদের কাজের প্রতি এমন সম্মান এবং দায়বদ্ধতা থাকলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। শাহজাদপুরবাসী তাদের প্রিয় নেতার এই সাফল্যে আনন্দিত ও গর্বিত।

জুবায়ের হাসান/শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *