শেরপুর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার অত্যন্ত প্রিয় মুখ, জেলা সেক্রেটারি এবং শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আর নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ৫১ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।শেষ বিদায়: ভোটের মাঠ ছেড়ে চিরতরের বিদায় নিলেন শেরপুর জেলা জামায়াত সেক্রেটারি।

শেরপুর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার অত্যন্ত প্রিয় মুখ, জেলা সেক্রেটারি এবং শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আর নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ৫১ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

অসুস্থতা ও শেষ মুহূর্ত

পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে নুরুজ্জামান বাদল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু নিয়তির বিধান ছিল অন্যরকম। ময়মনসিংহ শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছাতেই তার অবস্থার চূড়ান্ত অবনতি ঘটে এবং গাড়িতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শোকের সাগরে পরিবার ও সহকর্মীরা

নুরুজ্জামান বাদলের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের মাতম চলছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত সমস্যায়ও ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে দল একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা এবং শেরপুর-৩ আসনের মানুষ একজন যোগ্য অভিভাবককে হারালো।

জানাজা ও শেষ বিদায়

মরহুমের ভাই মাসুদ এবং জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। শোকবার্তায় দোয়া করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং তার পরিবার ও প্রিয়জনদের এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

শেরপুরের আকাশ-বাতাস আজ ভারী হয়ে উঠেছে এক নেতার বিদায়ে, যিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ শেরপুর গড়ার। তার এই চলে যাওয়া জেলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করল।

মাকসুদুর রহমান/শেরপুর প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *