প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা শহরের প্রেসক্লাবের সামনে কাচারী বাজার চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা শহরের প্রেসক্লাবের সামনে কাচারী বাজার চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা শহরের প্রেসক্লাবের সামনে কাচারী বাজার চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে শিক্ষক সমন্বয়ক আবুল বাশার, শিক্ষক তাজুল ইসলাম তমাল, আব্দুল মন্তাকিম, শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদ মুকুট, মোকাব্বির, সাগর ইসলাম, মেহেদী হাসান, আশা খাতুনসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব অভিযোগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ অবস্থায় পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন করে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য পরীক্ষা আয়োজনের দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে সব নিয়োগ পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজনের পাশাপাশি প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিভাইস শনাক্তকারী যন্ত্র ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপনের দাবি জানান, যাতে প্রযুক্তিগত জালিয়াতির সুযোগ না থাকে।

বক্তারা আরও বলেন, সব ধরনের নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করা জরুরি। একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা আয়োজন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, এতে পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় আরও নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

এছাড়া অতীতে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে—এমন কোনো প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে প্রশ্ন প্রণয়ন বা পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত না করার দাবি জানানো হয়। প্রশ্ন ফাঁস প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি দায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

মানববন্ধন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

মো. শাহিন মিয়া | গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *