পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পাবলিক মাঠে চলমান বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। একদিকে মেলা বন্ধের দাবি জানিয়ে স্থানীয় অভিভাবক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর একাংশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে, অপরদিকে আয়োজক কমিটি মেলা চালু রাখার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।বাউফলে বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পাবলিক মাঠে চলমান বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
একদিকে মেলা বন্ধের দাবি জানিয়ে স্থানীয় অভিভাবক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর একাংশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে,
অপরদিকে আয়োজক কমিটি মেলা চালু রাখার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

🔹 স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত এই বাণিজ্য মেলায় নানা ধরনের দোকান ও স্টল বসানো হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ—

“মেলা চলাকালে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা, জুয়া ও অশালীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে, যা এলাকার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি করছে।”

অভিভাবক মহল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা বলেন,

“বাণিজ্য মেলা আনন্দের জন্য হলেও কিছু অসামাজিক কর্মকাণ্ড এতে যুক্ত হয়ে পড়েছে, যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।”

🔹 আয়োজক কমিটির বক্তব্য

অন্যদিকে আয়োজক কমিটির নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,

“আমরা স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে নিয়ম মেনেই মেলা পরিচালনা করছি।
এই মেলার উদ্দেশ্য কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং জনগণের বিনোদন দেওয়া। কারও ধর্মীয় বা সামাজিক অনুভূতিতে আঘাত করার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

🔹 সামাজিক মাধ্যমে উত্তপ্ত আলোচনা

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #বাউফলমেলা_বন্ধ_করুন এবং #মেলা_চালু_রাখুন—এই দুটি ভিন্ন হ্যাশট্যাগ ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
পোস্ট ও মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে, স্থানীয়দের মধ্যে মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

🔹 প্রশাসনের ভূমিকা প্রত্যাশা

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে,

“মেলা বন্ধ বা চালু রাখার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। জনস্বার্থ ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখতে সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে সুষ্ঠু সমাধান প্রয়োজন।”

এদিকে বাউফল উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে দুই পক্ষের এই অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তবে স্থানীয়রা চান—যে কোনো সিদ্ধান্তই হোক, তা যেন সমাজের স্থিতিশীলতা ও শান্তি অক্ষুণ্ণ রাখে।

✍️ এইচ এম বাবলু/বাউফল পটুয়াখালী প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *